Untitled-1
কৃষ্ণ বিবর বা ব্ল্যাক হোল (ইংরেজি: Black Hole) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িতচৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না। অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণ বিবরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয় জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি অনুসারে, কৃষ্ণ বিবর মহাকাশের এমন একটি বিশেষ স্থান যেখান থেকে কোন কিছু, এমনকি আলো পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পারে না। এটা তৈরি হয় খুবই বেশী পরিমাণ ঘনত্ব বিশিষ্ট ভর থেকে। কোন অল্প স্থানে খুব বেশি পরিমাণ ভর একত্র হলে সেটা আর স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে পারে না। আমরা মহাবিশকে একটি সমতল পৃষ্ঠে কল্পনা করি। মহাবিশ্বকে চিন্তা করুন একটি বিশাল কাপড়ের টুকরো হিসেবে এবং তারপর যদি
আপনি কাপড়ের উপর কোন কোন স্থানে কিছু ভারী বস্তু রাখেন তাহলে কি দেখবেন? যেইসব স্থানে ভারি বস্তু রয়েছে সেইসব স্থানের কাপড় একটু নিচু হয়ে গিয়েছে। এই একই বাপারটি ঘটে মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে। যেসব স্থানে ভর অচিন্তনিয় পরিমাণ বেশি
সেইসব স্থানে গর্ত হয়ে আছে। এই অসামাণ্য ভর এক স্থানে কুন্ডলিত হয়ে স্থান-কাল বক্রতার সৃষ্টি করে। প্রতিটি গালাক্সির স্থানে স্থানে কম-বেশি কৃষ্ণ বিবরের অস্তিতের কথা জানা যায়। সাধারণত বেশীরভাগ গ্যালাক্সিই তার মধ্যস্থ কৃষ্ণ বিবরকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণনয়মান।
ব্লাকহোল শব্দের অর্থ কালো গহবর। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। কৃষ্ণ বিবর থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কৃষ্ণ বস্তুর মতো।
এখন পর্যন্ত ব্লাকহোলের কোন প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি কারণ এ থেকে আলো বিচ্ছুরিত হতে পারে না কিন্ত এর উপস্থিতির প্রমাণ আমরা পরোক্ষভাবে পাই। ব্লাকহোলের অস্তিতের প্রমাণ কোন স্থানের তারা নক্ষত্রের গতি এবং দিক দেখে পাওয়া যায়। মহাকাশবিদগণ ১৬ বছর ধরে আশে-পাশের তারামন্ডলীর গতি-বিধি পর্যবেক্ষণ করে গত ২০০৮ সালে প্রমাণ পেয়েছেন অতিমাত্রার ভর বিশিষ্ট একটি ব্লাকহোলের যার ভর আমাদের সূর্য থেকে ৪ মিলিয়ন গুন বেশি এবং এটি আমাদের আকাশগঙ্গার মাঝখানে অবস্থিত।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত



11692580_1497288967228355_7326663341618949159_nধুমকেতু  কী?
ধুমকেতু মূলত ধুলিময় বরফগোলক যারা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এরা বরফ, পানি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, এমনিয়া, মিথেন এবং ধুলিকণার সংমিশ্রণে তৈরী। যখন আমাদের সূর্য সৃষ্টি হয়েছিল তখন থেকেই এই পদার্থগুলো তৈরী হয়েছিল। ধুমকেতুগুলোর কেন্দ্র (নিউক্লিয়াস) বরফপূর্ণ। এদের কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকার গ্যাস এবং ধুলিকণার মেঘ দিয়ে বেষ্টিত। এগুলোকে একত্রে বলা হয় Coma । ধুমকেতুর কেন্দ্র সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হতে হতে Coma’র সৃষ্টি করে।
ধুমকেতুগুলো যখন সূর্যের কাছাকাছি ভ্রমণ করে তখন সেগুলো দু’ভাবে বিকাশিত হয়ঃ গ্যাস নিয়ে সোজা লেজ এবং ধুলিকণা নিয়ে বক্র লেজ দেখা যায়। গ্যাসের লেজগুলো Solar wind এর জন্য গঠিত হয়। Coma’র ধুলিকণা গুলো ম্যাগনেটিক ফিল্ডের জন্য নিজেদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন করেনা কিন্তু সূর্যের তাপে এগুলো বাষ্পীভূত হয়ে যায়, যার ফলে ধুমকেতু গুলোর বাঁকা ধুলিকণাময় লেজ তৈরী হয়।

উল্কা বৃষ্টি কী?
যখন কোণো ধুমকেতু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তখন এর কিছু অংশ সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে যায়। ধুমকেতুগুলো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে করতে এর অনেক ক্ষুদ্র অংশ এর থেকে ছিটকে যায়। উল্কা বৃষ্টি তখনই ঘটে যখন আমাদের পৃথিবী ঐ ধুমকেতুর আংশিক পথ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। যখন এটা ঘটে, ধুমকেতুর ধংসটুকরো (বালুকণা থেকে বেশি বড় নয়) রাতের আকাশে আলোর ঝলক তৈরী করে এগুলোকে আমরা পৃথিবী থেকে বায়ুমন্ডলের জন্য দেখতে পাই যেন এরা জ্বলছে। ধুমকেতুর ধ্বংসটুকরো যেগুলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে সেগুলোকে বলা হয়ে থাকে উল্কা। যেকোনো সময়ই উল্কা দেখা যায়। উল্কাগুলো আমাদের কাছে Shooting Star নামে বেশি পরিচিত। যাই হোক উল্কা বৃষ্টির সময় ১ঘন্টার মধ্যে একশ’রও বেশি উল্কা দেখা যায়।

ধুমকেতুর বিস্তৃতি কতটুকু?
বেশিরভাগ ধুমকেতুর নিউক্লিয়াস (ধুমকেতুর কেন্দ্র) ৬মাইল বা ১০ কি.মি. এর কম হয়ে থাকে। কোনো ধুমকেতুর বিস্তৃতি নির্ভর করে সেটি সূর্য থেকে কত দূরে অবস্থান করছে। যখন কোনো ধুমকেতু সূর্যের কাছাকাছি যায় তখন তার নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বরফ বাষ্পীভূত হয়ে শুরু করে। আর নিউক্লিয়াসের বরফ বাষ্পীভূত হওয়ার কারণে Coma’র বিস্তৃতি বেড়ে গিয়ে হয়ে যায় ৫০,০০০ মাইল বা প্রায় ৮০,০০০কি.মি. এর ফলে ধুমকেতুর লেজ গুলোর বিস্তৃতি বেড়ে গিয়ে প্রায় ৬০০,০০০ মাইল বা প্রায় ১মিলিয়ন কি.মি. হয়ে যেতে পারে।

কোনো ধুমকেতু কি সত্যিই বৃহস্পতি গ্রহে পতিত হয়েছিল?
হ্যাঁ, জুলাইয়ের ১৬-২২ তারিখে ১৯৯৪তে, Comet Shoemaker-Levy 9 এর কিছু অংশ বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে সংঘর্ষিত হয়েছিল। এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণকৃত আমাদের সোলার সিস্টেমের দু’টি বস্তুর সংঘর্ষ একমাত্র এটিই। বৃহস্পতি গ্রহের প্রবল মধ্যাকর্ষনের জন্য ধুমকেতুটি বৃহস্পতিতে পতিত হয়েছিল। Comet Shoemaker-Levy 9 ধুমকেতুটির ২০টির বেশি টুকরো বৃহস্পতি গ্রহের দক্ষিণ গোলার্ধে ঘন্টায় প্রায় ১৩০,০০০মাইল বা ২১০,০০০কি.মি বেগে পতিত হয়েছিল।

হ্যালির ধুমকেতু কখন দেখা যাবে?
হ্যালির ধুমকেতু রাতের আকাশে ২০৬২ সালে আবার দেখা যাবে। কেননা এটি সূর্যকে ৭৫-৭৬ বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে। হ্যালির ধুমকেতুর সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময়কাল বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি মেপেছিলেন ১৬৮২ সালে। এরপর ১৭৫৮, ১৮৩৫, ১৯১০ এবং ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

11665753_1610673109206122_6344222681641963688_n

গ্রহাণু কী?
গ্রহাণু হলো পাথুরে উপাদান দিয়ে গঠিত বস্তু যার গড় আয়তন প্রায় ৬০০মাইল বা প্রায় ১০০০কি.মি. যদিও এরা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তবুও এরা খুব ছোট বলে এদেরকে গ্রহ বলা ঠিক হবেনা। অধিকাংশ গ্রহাণু এত ছোট যে এদেরকে দেখা প্রায় মুশকিল হয়ে যায়। তবে বড় গ্রহাণুগুলোকে বামন গ্রহ বলা যায়।

Asteriod Belt কী?
এটি হলো মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী একটি জায়গা যেখানে আমাদের সৌর জগতের বেশিরভাগ গ্রহাণু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। Asteriod Belt সম্ভবত কয়েক মিলিয়ন গ্রহাণু বহন করে।

গ্রহাণু এবং ধুমকেতুর মধ্যে পার্থক্য কী?
গ্রহাণু এবং ধুমকেতুর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো তাদের গঠন। অর্থাৎ, তারা কী উপাদন দিয়ে গঠিত। সাধারণত গ্রহাণু তৈরী হয় পাথুরে/ শিলাময় উপাদান দিয়ে। অন্যদিকে ধুমকেতু তৈরী হয় বরফ, ধুলাবালি এবং কিছু পাথুরে পদার্থ দিয়ে। উভয় গ্রহাণু এবং ধুমকেতু আমাদের সোলার সিস্টেমের শুরুর দিকে অর্থাৎ, ৪.৫ বিলিওন বছর পূর্বেই গঠিত হয়েছিল।
গ্রহাণুগুলো সূর্যের কাছাকাছি তৈরী হয়েছিল। যা গ্রহাণুগুলোর বরফকে গলিয়ে দিতে যথেষ্ট ছিল। অন্যদিকে ধুমকেতুগুলো সূর্য থেকে বহু দূরে গঠিত হয়েছিল। এতে করে ধুমকেতুর বরফগুলো গলে যায়নি। আবার কিছু কিছু ধুমকেতু আছে যেগুলো সূর্যের কাছাকাছি চলে আসে। সূর্যের কাছাকাছি আসার ফলে এরা এদের উপাদান হারিয়ে ফেলে কেননা সূর্যের তাপে এরা উত্তপ্ত হয়ে বাস্পীভূত হয়ে যায়।

গ্রহাণুদের কি চাঁদ বা উপগ্রহ থাকতে পারে?
হ্যাঁ, গ্রহাণুগুলোর উপগ্রহ থাকতে পারে। আমাদের সৌরজগতের কিছু বড় বড় গ্রহগুলোর চাঁদ আছে। ১৯৯৩ সালে Ida গ্রহাণুর একটি ছোট উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছিল যার নাম ছিল Dactyl (বাংলাঃ ছন্দ ) । Dactyl মাত্র ১মাইল বিস্তীর্ন। যেখানে Ida’র বিস্তার প্রায় ১৯মাইল। তখন থেকেই উপগ্রহগুলো আবিষ্কৃত হতে শুরু করলো যারা গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে।
১৯৯৯ সালে ৮মাইল বিস্তীর্নবিশিষ্ট্য একটি উপগ্রহ আবিষ্কার হয়েছিল যার নাম ছিল Petit-Prince (বাংলাঃ ক্ষুদে রাজপুত্র )। Petit-Prince উপগ্রহটি ১৩৫ মাইল বিস্তীর্ণ গ্রহাণু Eugenia-কে প্রদক্ষিণ করছিল।
২০০০ সালে ৯০মাইল বিস্তীর্ন গ্রহাণু Pulcova’র উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছিল যার বিস্তৃতি ছিল ৯মাইল। তাছাড়া এখন পর্যন্ত প্রায় ২ ডজনেরও বেশি গ্রহাণুর উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।

কোনো মহাকাশযান কি এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহাণুতে নেমেছে?
হ্যাঁ, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০০১ সালে নাসা’র NEAR নামক একটি মহাকাশযান Eros (বাংলাঃ মন্তব্য। মূলতঃ গ্রীক প্রেমদেবতা )নামক একটি গ্রহাণুতে নেমেছিল। NEAR-ই সর্বপ্রথম কোনো গ্রহাণুর পৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল। NEAR নামক মহাকাশযানটি প্রায় ১ বছর ধরে (২০০০সালের ১৪ফেব্রুয়ারী থেকে) Eros নামক গ্রহাণুটিকে প্রদক্ষিণ করেছিল। NEAR গ্রহাণুটিতে অবতরণ করার আগের মুহূর্তে Eros এর কিছু ছবি নিয়েছিল এবং এর আয়তন এবং আকৃতি মেপেছিল।

সবচেয়ে বড় গ্রহাণু কোনটি?
সবচাইতে বড় গ্রহাণুর নাম হলো Ceres (গ্রীক দেবি ডিমিটারের রোমান নাম)। এটি চাঁদের আয়তনের প্রায় ১/৪ ভাগ। এটি মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মাঝামাঝি একটি এলাকার মধ্যে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এলাকাটির নাম Asteriod Belt। Ceres গোলাকৃতির একটি গ্রহাণু। ১৮০১ সালে Ceres নামক উপগ্রহটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল। এর আবিষ্কারক হলো ইতালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী Giuseppe Piazzi। এটিই হলো প্রথম আবিষ্কৃত গ্রহাণু। ১৮০১ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল। এটি একটি বামন গ্রহ বা মোটামুটি ক্ষুদে গ্রহ।

গ্রহাণু কি আমাদের পৃথিবীকে আঘাত করবে?
এটা সম্ভব যে কোনো একটি গ্রহাণু একদিন আমাদের পৃথিবীকে আঘাত করবে। কিন্তু এর সম্ভাবনা খুবই কম। বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মাঝামাঝি এলাকায় অর্থাৎ, Asteroid Belt এ অবস্থান করে যা আমাদের পৃথিবী থেকে বহু দূরে। তবে সম্ভাবনা কিন্তু থেকেই যায়। সম্ভাবনার তো আর নিশ্চয়তা নেই। তাই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সবসময়ই গ্রহাণুগুলোর উপর নক্ষত্র রাখছেন। এবং NASA’র বিজ্ঞানীরা মনে করছেন গ্রহাণু আমাদের পৃথিবীতে আঘাত হানার আগে তারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

আমরা কি গ্রহাণুগুলোতে হাঁটতে পারবো?
কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী সিনেমায় আমরা দেখতে পাই যে মানুষ গ্রহাণুগুলোতে হাঁটছে। তার মানে কি সত্যি সেখানে হাঁটা সম্ভব?
উত্তর হলো না। আমরা হাঁটতে পারবোনা। কেননা গ্রহাণুগুলোর মধ্যকর্ষণ অনেক কম। তাই অনেক ভারি বোঝা নিয়ে গেলেও সেখানে হাঁটার চেয়ে বরং আমরা বেশি ভাসবো।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

The Mercedes-Benz F 015 Luxury in Motion research car and its immersive user experience is an innovative perspective into the future of mobility.

What looks like a large inflatable tube is actually a pyrosome. And while it appears to be one behemoth creature, it is actually many hundreds or thousands of animals called zooids embedded in a gelatinous tube.

“One long pyrosome is actually a collection of thousands of clones, with each individual capable of copying itself and adding to the colony,” writes marine biologist Rebecca Helm in Deep Sea News.

The creature’s name means “fiery body” due to its bioluminescence, a bright green-blue glow that can light up the colony when disturbed. This intense light even inspired 19th century scientist Thomas Huxley to write, “I have just watched the moon set in all her glory, and looked at those lesser moons, the beautiful Pyrosoma, shining like white-hot cylinders in the water.”

These “cylinders in the water” can grow to formidable sizes, sometimes exceeding 12 meters (40 ft) in length. Each zooid feeds by sucking in water, filtering small particles and blowing the waste back out. This is also the method that propels the colony into motion, albeit at a very slow pace. When the zooids pause this process, the colony can sink 500-700 (1,640-2,295 ft) meters below the surface of the sea, according to New Scientist.

The footage was captured by Eaglehawk Dive Centre in Tasmania, Australia. Watch the video here:

artificial leaf
Harvard researchers have announced a method to turn sunlight and air into isopropanol (C3H8O). While mainly used as a solvent and in pharmaceuticals, isopropanol can also be used as a liquid fuel for transportation, or converted into even more convenient fuels.

Plants have been transforming sunlight into things that we can use for fuel for 1.6 billion years. However, with a few exceptions, they are still only about 1% efficient. Solar cells do much better, but the energy produced must either be used immediately or stored in ways that can be problematic.

To address this, researchers are trying to find ways to turn the energy generated from sunlight into fuels that are easy to store. In 2011, Professor Daniel Nocera announced what he called the “artificial leaf,” a silicon strip coated with catalysts on each side. When placed in water and exposed to sunlight, the leaf splits the H2O to release oxygen on one side and hydrogen on the other.

Last year, Nocera boasted of achieving 7% efficiency, but a problem remains. The fuel that Nocera’s leaf produces is hydrogen, which is very expensive, and sometimes dangerous, to store and transport. As he then admitted to The New York Times, “If I give you a canister of hydrogen that we got from the artificial leaf, you can’t use it right away.” Nocera’s hope was that progress would be made in the quest for fuel cells that turn hydrogen back into energy in a controlled way.

Now, however, Nocera is part of a project taking a very different approach. In the Proceedings of the National Academy of Sciences, Nocera and Professor Pamela Silver announce what they call a bionic leaf, one that combines Nocera’s catalysts with bacteria that turn the hydrogen into something easier to handle.

“The catalysts I made are extremely well adapted and compatible with the growth conditions you need for living organisms like a bacterium,” says Nocera. Silver added the bacterium Ralstonia eutropha, which uses the hydrogen and carbon dioxide from the atmosphere as food to multipy.

MIT Professor Anthony Sinskey has previously demonstrated that R. eutropha can be engineered to make isopropanol as it grows, generating a fuel we can use. When the isopropanol is burnt, it will release CO2 into the atmosphere, but no more than is removed by the bacteria in the growth process.

So far, however, less than a seventh of the hydrogen produced gets turned into fuel by the bacteria. Silver is not arguing that the product is ready for commercialization, saying, “This is a proof of concept that you can have a way of harvesting solar energy and storing it in the form of a liquid fuel.” Nocera is even more upbeat. “We’re almost at a 1% efficiency rate of converting sunlight into isopropanol,” he says. “There have been 2.6 billion years of evolution, and Pam and I working together a year and a half have already achieved the efficiency of photosynthesis.”

LAVA USE
The active volcano in Vanuatu proved too much for the drones flying over the fiery, spitting pit of lava. Thankfully, the filmmakers were able to capture stunning videos and thousands of photographs before the drones were either consumed by the lava itself or damaged from the incredible amount of heat emanating from it.

“It’s a glimpse into the center of the Earth,” said Sam Cossman, an explorer and filmmaker on the mission. “It’s like listening to the heartbeat of the planet.”

Marum crater is a 7.5-mile-wide caldera in Ambrym, a volcanic island in the archipelago of Vanuatu, with poisonous chlorine and sulfur gases that rise from its vent. The large volcanic crater made news last September when a daredevil donned a protective suit and rappelled as close as he could to the churning lake of lava.

However, the purpose of this particular mission was to investigate how quickly microbial colonization happens on nearby rocks. “The instant the rock cools to below about 120 degrees Celsius, it’s considered an inhabitable environment,” said Jeffrey Marlow, a geobiologist from California Institute of Technology, who participated in the study. “Getting a handle on how microbes colonize this particular substrate is a good example of what will happen across the planet and has happened across the planet throughout geological time.”

Apart from providing striking images, the cameras will help the scientists determine how far they were from the volcano when sampling the rock as well as provide 3D reconstruction of the crater.

Check out the fiery footage by National Geographic below.

shutterstock_114542698
More than 99% of all the species that have ever lived on our planet are now extinct, and while the majority of these die-offs can be attributed to competition or failure to adapt, many perished during dramatic cataclysmic events. The fossil record shows us that these mass extinctions seem to occur periodically in cycles of approximately 26 to 30 million years—which, interestingly, is similar to the amount of time it takes our sun to bob up and down through the galactic disc and cross the center line of the Milky Way.

This region, known as the galactic plane, is crowded with clouds of dust and gas which could disturb space debris within our solar system and send some hurtling towards our planet, which would fit in with some of the mass extinctions. However, according to new research, there could be something else at play: dark matter.

As described in Monthly Notices of the Royal Astronomical Society, passing through concentrated regions of this elusive, invisible stuff could also send comets on an Earth-bound collision course. Furthermore, dark matter particles could also ramp up temperatures in our planet’s core, which could affect geological systems and trigger extinction events.

Our galaxy, the Milky Way, is a huge flat disk of stars, dust and gas measuring some 120,000 light-years across. The center line of this huge spinning disk, or galactic plane, is known to be concentrated with dust and gas, but also seems to be crowded with dark matter. Although we can’t directly observe this substance, scientists know it exists because it exerts gravitational effects on other objects in space. From these observations, scientists have estimated that each square light-year of the galactic plane contains around one solar mass of dark matter.

While our solar system rotates around the Milky Way, which takes around 250 million years, it also vertically oscillates through the galactic disk, passing through the galactic plane around every 30 million years or so. This correlates with the documented intervals between mass extinction events and comet impacts on Earth, which prompted scientist Michael Rampino from New York University to consider further what could be going on.

Although previous work has suggested that the concentration of dust and gas in the plane could be responsible for messing up the orbits of comets in our solar system, Rampino proposes that dark matter could also be a contributing factor. Clouds of the stuff could disturb the orbits of space debris and fling some towards Earth, causing huge collision events like the famous comet strike 66 million years ago which wiped out the dinosaurs.

Another possibility is that, as our planet passes through the plane, dark matter particles could get caught in our planet’s gravity, eventually causing them to fall towards Earth’s core and accumulate here. These particles would then begin to annihilate each other over time, creating an immense amount of heat in the core, rising its temperature by several hundred degrees Celsius. Over millions of years, this heat could travel towards the surface, triggering events such as volcanic eruptions or changes in global climate and sea level, which could wipe out a large number of species on Earth.

Skull_X-ray_-_lateral_view
Ever wondered what it would be like to have super hero powers – x-ray vision for example? Although watching someone chew food and drink water may not be what everyone would do with that super power, check out this oddly fascinating video by Youtube user Spladgum clearly showing you the journey food and liquid takes as he chews and swallows: it even pans down to show you his heart beating in his chest.

<< previous posts || next posts >>