Category: Uncategorized

heart_bg_529209737
হৃদস্পন্দন বন্ধ তো, আপনি মৃত। তবে হৃদপিণ্ডের এ থেমে যাওয়ার দিন শেষ হয়ে এসেছে। বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের বৈদ্যুতিক ঝিল্লি (electric membrane) তৈরি করেছেন, যা হৃদপিণ্ডের বাইরের অংশের উপরে যুতসইভাবে লাগানো থাকবে।

এ ইলেক্ট্রিক ঝিল্লিই আপনার হৃদস্পন্দন চালু রাখবে অনন্তকাল। একই সঙ্গে অবসান ঘটাবে হৃদপিণ্ডে পেসমেকার ব্যবহারের।

এই যন্ত্রটিতে দুটি অংশ রয়েছে- মাকড়সার জালের মতো বিস্তৃত সংবেদনশীল জাল (network of sensors) এবং বিদ্যুৎ পরিবাহক। এরা সবসময় হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সক্রিয়তা (electrical activity) পর্যবেক্ষণ করবে। বৈদ্যুতিক শকের মাধ্যমে হার্টের স্পন্দন চালু রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস ইউনিভার্সিটি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ‘কম্পিউটার মডেলিং টেকনোলজি’ এবং থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে এক ধরনের ঝিল্লি তৈরি করেন। এ ঝিল্লি খরগোশের হার্টে লাগিয়ে নিখুঁতভাবে কাজ করতে দেখা গেছে।

এক্ষত্রে উচ্চ রেজুলেশনের থ্রিডি ইমেজিং টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে। এ টেকনোলজি ব্যবহার করে যে ঝিল্লি তৈরি করা হবে তা সম্প্রসারণশীল এবং খুবই সুন্দরভাবে হার্টের সঙ্গে লেগে থাকবে।

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির বায়ো-মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ইগর এফিমভ বলেন, যখন হার্ট-অ্যাটাক অথবা অন্য কোনো বিপজ্জনক ঘটনা ঘটবে, তখন এ ডিভাইসটি নিজের থেকেই উচ্চ মাত্রার চিকিৎসা দেবে।
heart_inner_199542477
এ ঝিল্লির বিভিন্ন অংশ থেকে সহনীয় মাত্রার বৈদ্যুতিক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়, যা হার্টের সমস্যাসহ হার্টের হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া রোধ করবে।

যন্ত্রটি উদ্ভাবনে সম্প্রসারণক্ষম ইলেক্ট্রনিক্সের ব্যবহার হয়েছে। এর উন্নয়নসাধন করেন- ইলিনয়েস ইউনিভার্সিটির পদার্থ বিজ্ঞানী জন রজার্স।

রাজার্সের উদ্ভাবিত এ ডিভাইসে সিলিকনের মতো কঠিন পদার্থও ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সার্কিটগুলো বসানো হয়েছে বাঁকা করে ‍S আকৃতিতে যাতে খুব সহজেই সম্প্রসারণ করা যায় এবং ভেঙে না যায়।

হৃদপিণ্ডের প্রাকৃতিক ঝিল্লি পেরিকার্ডিয়ামের সঙ্গে এর তুলনা করে রজার্স বলেন, মানুষের তৈরি এ কৃত্রিম পেরিকার্ডিয়াম অনেক উচ্চমানের, এটি সাধারণ হৃদপিণ্ডের ঝিল্লির মতোই উদ্দীপ্ত হয়ে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করবে। হৃদপিণ্ডের সমস্যা পর্যবেক্ষণ করবে এবং হার্ট-অ্যাটাক থেকে মুক্ত রাখবে।

আসুন জানি পৃথিবীর কয়েকজন কুখ্যাত সিরিয়াল কিলারদের সম্পর্কে।

১. জিল দ্যা রাই (Gilles de Rais)


জম্ম ১৪০৪ সালে ফ্রান্সে। তাকে বিবেচনা করা হয় আধুনিক সিরিয়াল কিলারদের পথিকৃত হিসাবে। রাই তার কিলিং মিশন শুরু করার পূর্বে ছিল মিলিটারী ক্যাপ্টেন বিখ্যাত জোয়ান অব আর্ক এর অধীনে। এই ভংয়কর সিরিয়াল কিলার শতাধিক ব্যাক্তিকে হত্যা করে যাদের অধিকাংশই শিশু। তার শিকারের মধ্যে বেশীর ভাগই শিশুই ছিল ব্লন্ড চুল আর নীল চোখের অধিকারী (যেমনটি সে ছোটকালে ছিল দেখতে). ধারনা করা হয় সে তার যৌন পূলক পেতে শিশুদের নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করত (শিকারের উপর মাস্টারবেশন করত). তার শিকারের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায় না। বেশীরভাগ শিকারকেই সে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলত। ধারনা করা হয় তার শিকার সংখ্যা ৮০ থেকে ২০০. অনেকের মতে এ সংখ্যা ৬০০-র উর্দ্ধে। তার অধিকাংশ শিকারের বয়স ছিল ৬ থেকে ১৮ এর মধ্যে। যদিও রাই বালকদেরই তার শিকার হিসেবে বেশী পছন্দ করত তবে বালিকারাও তার হাত থেকে নিস্তার পেতো না।

২. রির্চাড ট্রেটন সেচ (Richard Trenton Chase)


এই আমেরিকান সিরিয়াল কিলারের জম্ম ১৯৫০ সালে। হত্যাকান্ডের পর তাদের রক্তপান এবং শিকারের মাংস ভক্ষনের অভ্যাসের কারনে তার ডাক নাম ছিল ” ভ্যাম্পায়ার অব স্ক্রেরামেন্টো”. তার প্রথম শিকার ৫১বছর বয়সী ইন্জিনিয়ার এমব্রোস গ্রিফিন। সেচ গ্রিফিনকে হত্যা করেন ১৯৭৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর। তার ২য় শিকার টেরেসা ওয়ালিন ছিল অন্তসত্ত্বা। সে তাকে হত্যার পর তার সাথে সহবাসে মিলিত হয় এবং তার রক্ত দিয়ে গোসল করে। ১৯৮০ সালের ৮ মে বিচারে গ্যাস চেম্বারে তার মৃত্যুদন্ড হয়। দন্ডের জন্য অপেক্ষাকালীন সময়ে ১৯৮০ সালের ২৬ ডিসেম্বর তার সেলে তাকে মৃত অবস্থায পাওয়া যায়। ধারনা করা হয় প্রিজন ডাক্তারের প্রদত্ত ওষুধ অতিরিক্ত পরিমান খেয়ে সে আত্মহত্যা করে।

৩. জেফরি ডামার (Jeffrey Dahmer)


জম্ম ১৯৬০ সালে। ডামারের শিকার সংখ্যা কমপক্ষে ১৭. তার হত্যাকান্ডগুলো ছিল সত্যিকার অর্থেই বিভীষিকাময়। ডামার শিকারকে জোর পূর্বক সমকামিতায় বাধ্য করা সহ তাদের অঙ্গ প্রতঙ্গ বিচ্ছিন্নকরন এবং শিকারের মাংস ভক্ষণ করত। ডামার ১৮ বছর বয়সে তার প্রথম হত্যাকান্ড ঘটায়। ১৯৮৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ১৩ বছর বয়সী একজন বালককে যৌন হয়রানির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিচারে তার এক বছর সাজা হয়, সে বিচারকের কাছে দোষ স্বীকার করে এবং তাকে মেন্টাল থেরাপি দেয়ার অনুরোধ করে। ৫বছর সন্তোষজনক আচার আচরনের শর্তে তাকে প্রবেশনে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তির পরপরই সে পুনরায় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে।১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে ডামার পুনরায় পুলিশের নিকট ধরা পড়লে তার ভয়ানক কুর্কীতিগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ে। বিচারে ডামারের ৯৩৭ বছর জেল হয়। বিচারকালে ডামার কারাবাসের পরিবর্তে তার মৃত্যুদন্ড কামনা করে।১৯৯৪ সালের ২৮ নভেম্বর কারাগারের জিমে কর্মরত অবস্থায় ক্রিস্টোফার স্কেভার নামক অপর একজন কয়েদীর মারাত্মক পিটুনিতে নিহত হন ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার জেফরি ডামার।

৪. এলবার্ট ফিশ (Albert Fish)


এলবার্ট ফিশের জম্ম ১৮৭০ সালে। এই সিরিয়াল কিলার ধূসর মানব নামে পরিচিত। কমপক্ষে ১০০ শিশুকে নিগৃহত করা এই সিরিয়াল কিলার ওয়ারউলফ অব ওয়েচটেরিয়া এবং ব্রুকলিনের ভ্যাম্পায়ার নামেও পরিচিত। কমপক্ষে ৫টি হত্যাকান্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে,৩টি হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে ফিশ। ফিশ কারাগারে থাকাবস্থায় তার নৃংশসতার স্বীকার বিলি গ্রেফানির মা ফিশের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে ফিশ যে লোমহর্ষক বিবরণ দেন তা দূর্বল চিত্তের পাঠকের পক্ষে সহ্য করা কঠিন।
I cut one of my belts in half, slit these halves in six strips about 8
inches long. I whipped his bare behind till the blood ran from his
legs. I cut off his ears, nose, slit his mouth from ear to ear. Gouged out his eyes. He was dead then. I stuck the knife in his belly and held my mouth to his body and drank his blood. I picked up four old potato sacks and gathered a pile of stones. Then I cut him up. I had a grip with me. I put his nose, ears and a few slices of his belly in the grip. Then I cut him through the middle of his body. Just below the belly button. Then through his legs about 2 inches below his behind.I put this in my grip with a lot of paper. I cut off the head, feet, arms,
hands and the legs below the knee.

In addition to this horrifying description, Fish confessed to eating parts of Billy:
I made a stew out of his ears, nose, pieces of his face and belly. I put onions, carrots, turnips, celery, salt and pepper. It was good. Then I split the cheeks of his behind open, cut off his monkey and pee wees and washed them first. I put strips of bacon on each cheek of his behind and put them in the oven. Then I picked 4 onions and when the meat had roasted about 1/4 hour, I poured about a pint of water over it for gravy and put in the onions. At frequent intervals I basted his behind with a wooden spoon. So the meat would be nice and juicy. In about 2 hours, it was nice and brown, cooked through. I never ate any roast turkey that tasted half as good as his sweet fat little behind did.
ফিশ যৌন আনন্দের জন্য তার ত্বকের নীচে সূঁই ডুকিয়ে রাখতো।

৫. আন্দ্রেই চিকাতিলো (Andrei Chikatilo)


জম্ম ইউক্রেনে পরবর্তীতে রাশিয়ান নাগরিক এই সিরিয়াল কিলার বুচার অব রোস্তভ বা রোস্তবের কসাই হিসেবে কুখ্যাত ছিল। তাকে দ্যা রেড রিপার নামেও ডাকা হতো। ১৯৭৮ হতে ১৯৯০ সালের মধ্যে ৫৩ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করার অপরাধে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। সে যে প্রক্রিয়ায় হত্যাকান্ড ঘটাতো তা এক কথায় নৃংশস। চিকাতিলো তার প্রথম হত্যাকান্ড ঘটায় ১৯৭৮ সালের ২২ ডিসেম্বর। সে ৯ বছর বয়সী একটি মেয়েকে ফুসলিয়ে একটি পরিত্যাক্ত বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করতে উদ্যত হয়। মেয়েটি চিৎকার চেচাঁমেচি করলে সে তাকে ছুরিকাহত করে হত্যা করে তার উপর বীর্যপাত ঘটায়। এভাবেই তার বিকৃত কামচরিতার্থের শুরু। সে তার শিকারদের ছুরিকাহত করতে করতে বীর্যপাত ঘটানোর মাধ্যমে যৌন পূলক লাভ করতো। ১৯৯৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এই কুখ্যাত খুনীকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।

৬. জোয়াসিম ক্রোল (Joachim Kroll)

জার্মান এই সিরিয়াল কিলারের জম্ম ১৯৩৩ সালে। এই সিরিয়াল কিলার রুর নরখাদক ও ডয়েচবার্গ ম্যান ইটার নামে কুখ্যাত। ৮টি হত্যাকান্ডের জন্য তার সাজা হলেও সে ১৩টি হত্যাকান্ডের কথা নিজে স্বীকার করে।
৩ জুলাই’১৯৭৬ ক্রোল মেরিয়ান কেটার নামীয় ৪ বছর বয়সী একটি বালিকাকে কিডন্যাপ ও হত্যার জন্য গ্রেপ্তার হন। উক্ত বালিকা নিখোঁজ হলে পুলিশ ঘরে ঘরে তল্লাশী অভিযান চালায়। ক্রোলের এক প্রতিবেশী পুলিশকে জানায় তাদের এ্যাপার্টমেন্টস এর ময়লার পাইপটি জ্যাম হয়ে গেলে এ সম্পর্কে ক্রোল কিছু জানে কি না জিজ্ঞেস করা হলে ক্রোল এক কথায় জবাব দেয়- “নাড়িভূড়ি”. পুলিশ ক্রোলের ঘরে হানা দিয়ে মেরিয়ানকে আবিস্কার করে টুকরো টুকরো অবস্থায়। তার শরীরের কিছু অংশ ফ্রিজে, একটি হাত চুলার উপর পাত্রে রান্না করা অবস্থায় এবং নাড়িভূড়িগুলো ময়লা নির্গমনের পাইপে।
ক্রোল স্বীকারোক্তি দেয় সে তার শিকারকে টুকরো টুকরো করে রান্না করে খেতো। বাজার খরচ (grocery bills) বাচাঁনোর জন্য সে এ কাজ করতো বলে জানায়। বিচারে ক্রোলের নয়টি যাবজ্জীবন সাজা হয়। ১৯৯১ সালে কারাগারে অন্তরীন থাকাবস্থায় হার্ট এ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।

৭. ডেনিস রাডার (Dennis Rader)

আমেরিকান সিরিয়াল কিলার রাডার জম্মগ্রহণ করেন ১৯৪৫ সালে। ১৯৭৪ হতে ১৯৯১ সালের মধ্যে রাডার কমপক্ষে ১০ জনকে হত্যা করে। তার হত্যাকান্ডগুলো ছিল তার কাছে এক একটা শিল্পকর্ম। রাডার তার ভিকটিমদের নাম দিত প্রজেক্ট। তার “হিট কিট” নামের একটা ব্রিফকেস ছিল যাতে হত্যার সব উপাদান যেমন- ফিতা, পিস্তল, রশি, হ্যান্ডকাপ ইত্যাদি থাকত। তার একটি বিশেষ ধরনের জমা ছিল – “হিট ক্লথ” নামে। অপরাধ সংঘটনের সময় সে এটি পরিধান করত। রাডার প্রথমে অচেতন না হওয়া পর্যন্ত তার ভিকটিমকে গলা টিপে ধরত। কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে ভিকটিমের জ্ঞান ফিরে এলে পুনরায় গলা টিপে ধরত। এভাবে বার বার সে একাজটি করে ভিকটিমকে মৃত্যুর খুব নিকটে নিয়ে যেত। বাচাঁর জন্য ভিকটিমের ছটফটানি দেখে সে যৌন উত্তেজিত হতো। সবশেষে রাডার তার শিকারকে গলাটিপে হত্যা করতো এবং ভিকটিমের পোষাকে (সাধারণত আন্ডারওয়ারে) বীর্যপাত ঘটাত।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী হিসেবে রাডার এখনো কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।

৮. জাভেদ ইকবাল (Javed Iqbal)

পাকিস্তানী এই সিরিয়াল কিলারের জম্ম ১৯৫৬ সালে। সে দাবী করেছিল ১৮ মাসের ব্যবধানে সে ১০০ শিশুকে হত্যা করেছে। ১৯৯৮ সালে ২জন বালককে যৌন হয়রানির জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে জামিনে বের হয়ে ইকবাল পুরোদমে শুরু করে তার কুকর্মের। সে তার সুন্দর আচার ব্যবহার দিয়ে বালকদের মুগ্ধ করতো ।

৯। রাসু খাঁ (Rasu kha)

বাংলাদেশের প্রথম সিরিয়াল কিলার ।
চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ ভালোবাসায় পরাস্ত হয়ে এক সময় সিরিয়াল কিলারে পরিণত হয়। ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তার লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের চিত্র বেরিয়ে আসে। নিজের মুখে স্বীকার করে ১১ নারী হত্যার কথা। টার্গেট ছিল ১০১টি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর। কিন্তু চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তার সেই আশা পূরণ হয়নি। রসু যাদের হত্যা করেছে তারা সবাই ছিল গার্মেন্ট কর্মী।
রসু খাঁ ভালোবাসার অভিনয় করে নিুবিত্ত পরিবারের মেয়েদের ঢাকার সাভার ও টঙ্গী এলাকা থেকে চাঁদপুরে এনে প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করত। হত্যার শিকার ওইসব হতভাগ্য মেয়ের অধিকাংশেরই সঠিক নাম-ঠিকানা বা পরিচয় আজও জানা যায়নি।

NTV Eid-Ul-Azha Natok 2012

Written By: Safayet Monsur Rana
Script: Safayet Monsur Rana
Directed By: Safayet Monsur Rana
Eid Natok 2012/Eid-Ul-Azha Natok
Actor/Actress: Tahsan, Monalisa, Faria, Nafisa And More

 

 

 

Researchers have found that baboons have distinct personality types, just as humans do. A new study in the Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS) observed 45 female Chacma baboons in the Moremi Game Reserve in Botswana for a 7 year period.

South Africa Baboon Orphanage Adventure Project

They found that individual baboons had their own personalities, which affected social behavior and acceptance. Just as with humans, the baboons fell into certain “stereotypical” roles such as the “loner”, the “aloof” and the “nice”.

These roles played an important part in the baboon’s lives. “Nice” baboons were observed to be more likely to communicate with other baboons, even if they have a lower social standing. This was of particular significance because numerous and ongoing relationships are important to female baboons, and are seen to affect health and lifespan. However, the “aloof” baboons had more sincere relationships than the “nice” baboons, even though they often only communicated with others when it was likely to be of benefit to themselves.

Effects on Stress

It was also found that the type of personality a baboon had affected their stress levels. Researchers measured the baboons’ glucocorticoid levels to ascertain this. “Loners” were consistently found to have the highest stress levels. The suggestion is that those baboons who are less likely to communicate with, or to be approached by other baboons, experience high levels of stress.

The researchers also found that the personalities were not linked to environmental social factors, such as family or status, and that they sometimes changed over time, although only in a minority of cases. In baboon society, dominance is inherited from the parent’s social ranking. However, personality was observed to have a great effect on reproductive success.

Although researchers have made many new discoveries about baboon behavior and sociability, there are still many questions as to how or why these different personalities develop.




Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start blogging!