Category: Uncategorized

The Busan Aquarium contains over 35,000 species of fish, algae, reptiles, and amphibians. This state-of-the-art facility is one of Korea’s top aquariums. The aquarium covers an area of 36,000 m2 and is spread over 3 underground levels and features an outdoor park. On the first underground level is a souvenir shop and several places to eat, while the B2 and B3 levels showcase the various exhibits. The third underground level boasts an 80m main (seabed) tunnel.

The tunnel experience resembles a walk along the ocean floor with various sea creatures swimming above. This is a very popular area of the aquarium and is sure to amaze visitors. The simulator also stimulates the imagination and provides a unique feeling of life on the ocean floor.

More info: https://www.busanaquarium.com

অনেক গেমস এ গেমারদের সুবিধার জন্য ম্যাপ দেয়া থাকে। কেন? যাতে করে গেমার এর বুঝতে সুবিধা হয় তার মিশনটা কমপ্লিট করার জন্য কোথায় কীভাবে এপ্রোচ করতে হবে।
আমাদের কোষের মধ্যে রয়েছে ক্রোমোসোম আর তাতে আছে DNA। কিছু ডি,এন,এ তে রয়েছে জিন। জিন হলো DNA এর একটা অংশ যা একটা জীবের গঠন কীরূপ হবে তা নির্ধারণ করে এবং পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানের দেহে নিয়ে যায়।
তো গেমারদের মতো যদি আমাদের কাছে জিন এর একটা ম্যাপ থাকত, তাহলে কেমন হত? ওয়েল, তেমন কিছুই হত না, খালি ম্যাপটা আমাদের মাথার উপ্রে দিয়ে যাইত !!!
কারণ আমরা কেবল ভার্চুয়াল জগতেরই গেমার। এইক্ষেত্রে গেমার হলেন জিনবিজ্ঞানী ও মাইক্রোবায়োলজিস্টরা। তারা একইসাথে হ্যাকারও!!! কীভাবে?

12376206_1256238594392565_8321493549897301803_n

১৯১১ সালের ঘটনা। Alfred Sturtevant নামক এক বিজ্ঞানী Drosophilla নামক এক প্রাণীর জিন ম্যাপ বের করে ফেললেন !!! সেটা আবার কী?
জিন ম্যাপ বলতে বুঝায় জিনগুলা কোন কোন ক্রোমোসোমের ভিতরের DNA এর কোথায় আছে তা
খুঁজে বের করা। অনেকটা গেমের কই কই মিশনের কাজ আছে তা জেনে যাওয়া।
তো বিজ্ঞানীরা যদি same ভাবে মানুষের জিন ম্যাপ বের করে ফেলতে পারে, তাহলে তারা জেনে যাবে তাদের “মিশন” এর লোকেশন কোথায়। তাদের মিশনগুলা কী ছিল একটু জেনে নেই।
১। এর মাধ্যমে যেসব ভাইরাস আমাদের আক্রমণ করে তাদের জিন কীরকম তা বুঝা যাবে। মানে আমাদের ক্ষতি করার জন্য তাদের যে কর্মপরিকল্পনা, তা আমরা্ জেনে যাব।
২। ক্যান্সার এর সময়ে দেহের জিন এ যে আকস্মিক পরিবর্তনগুলো (Mutation) হয়, সেগুলো জানা যাবে এবং ক্যান্সারকে শায়েস্তা করতে আরও ভাল ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
৩। আরও যেসব জিনগত রোগ যেমন: বংশগত ডায়াবেটিস, হিমোফিলিয়া এসব ব্যাপারে আরও ভাল ধারণা পাওয়া যাবে এবং এদের শায়েস্তা করার পথে এগুনো যাবে।
৪। এছাড়াও ফরেনসিক মেডিসিন, নৃতত্ত্ববিদ্যা, বিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বড়সড় অগ্রগতি হবে।
কিন্তু এসব করতে গেলে খালি জিন কোথায় আছে এটা জানলেই হবে না! মিশনগুলো বেশ কঠিন এবং এ কাজে আমাদের ‪#‎Cheat_code‬ প্রয়োজন।
জিন তথা DNA হলো De-oxy riboNucleic Acid. এটা মানে কী বুঝায়? কয়েকটা সমীকরণ দেখি, যেটা থেকে DNA পাওয়া যাবে:
৫ কার্বন ওয়ালা ‘রাইবোজ’ নামক সুগার যেটার ২ নং কার্বনে অক্সিজেন নাই = ডিঅক্সিরাইবোজ
ডিঅক্সিরাইবোজ সুগার + নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার = নিউক্লিওসাইড
নিউক্লিওসাইড + ফসফেট গ্রুপ = নিউক্লিওটাইড
অনেকগুলা নিউক্লিওটাইড = পলিনিউক্লিওটাইড = নিউক্লিক এসিড
নিউক্লিক এসিড + নিউক্লিক এসিড = DNA
মানুষের একটা ক্রোমোসোমে ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) এরও বেশি নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার থাকে। এগুলাই ২টা নিউক্লিক এসিডকে জোড়া লাগিয়ে DNA তৈরি করে। ক্ষারগুলো হলো:
১। Adenine (A)
২। Guanine (G)
৩। Thymine (T)
৪। Cytosine (C)
এই বিলিয়ন বিলিয়ন ক্ষারগুলো কীভাবে থাকে? ATTCGATC ………. এরকম করে ৬০০ কোটির উপরে।
এটাই হলো সেই কাঙ্ক্ষিত “Cheat code” । grin emoticon যেটাকে বলে “Base sequence” ।
তো মানুষের এই Gene এর ম্যাপ বের করা আর Base sequence বের করা, এটা ১৯১১ সালে চিন্তাও করা যায় নি। পরে ১৯৫৩ সালে Watson & Crick DNA এর structure আবিষ্কার করে ১৯৬২ সালে নোবেল পেয়ে গেলেন। এরপরে Friedrich Sanger DNA এর এই Base sequence করার পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেললেন এবং ১৯৮০ সালে তার জীবনে দ্বিতীয়বারের মত নোবেল পেয়ে গেলেন। এরপরই বিজ্ঞানীরা এই map এবং cheat code বের করার স্বপ্ন দেখতে থাকেন। শুরু হয় “Human Genome Project” নামে Billion Dollar এর Project।

লিখেছেনঃ Ahmad Salman Sirajee, ফেসবুক গ্রউপঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

Untitled-1
কৃষ্ণ বিবর বা ব্ল্যাক হোল (ইংরেজি: Black Hole) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িতচৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না। অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণ বিবরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয় জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি অনুসারে, কৃষ্ণ বিবর মহাকাশের এমন একটি বিশেষ স্থান যেখান থেকে কোন কিছু, এমনকি আলো পর্যন্ত বের হয়ে আসতে পারে না। এটা তৈরি হয় খুবই বেশী পরিমাণ ঘনত্ব বিশিষ্ট ভর থেকে। কোন অল্প স্থানে খুব বেশি পরিমাণ ভর একত্র হলে সেটা আর স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে পারে না। আমরা মহাবিশকে একটি সমতল পৃষ্ঠে কল্পনা করি। মহাবিশ্বকে চিন্তা করুন একটি বিশাল কাপড়ের টুকরো হিসেবে এবং তারপর যদি
আপনি কাপড়ের উপর কোন কোন স্থানে কিছু ভারী বস্তু রাখেন তাহলে কি দেখবেন? যেইসব স্থানে ভারি বস্তু রয়েছে সেইসব স্থানের কাপড় একটু নিচু হয়ে গিয়েছে। এই একই বাপারটি ঘটে মহাবিশ্বের ক্ষেত্রে। যেসব স্থানে ভর অচিন্তনিয় পরিমাণ বেশি
সেইসব স্থানে গর্ত হয়ে আছে। এই অসামাণ্য ভর এক স্থানে কুন্ডলিত হয়ে স্থান-কাল বক্রতার সৃষ্টি করে। প্রতিটি গালাক্সির স্থানে স্থানে কম-বেশি কৃষ্ণ বিবরের অস্তিতের কথা জানা যায়। সাধারণত বেশীরভাগ গ্যালাক্সিই তার মধ্যস্থ কৃষ্ণ বিবরকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণনয়মান।
ব্লাকহোল শব্দের অর্থ কালো গহবর। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। কৃষ্ণ বিবর থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কৃষ্ণ বস্তুর মতো।
এখন পর্যন্ত ব্লাকহোলের কোন প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি কারণ এ থেকে আলো বিচ্ছুরিত হতে পারে না কিন্ত এর উপস্থিতির প্রমাণ আমরা পরোক্ষভাবে পাই। ব্লাকহোলের অস্তিতের প্রমাণ কোন স্থানের তারা নক্ষত্রের গতি এবং দিক দেখে পাওয়া যায়। মহাকাশবিদগণ ১৬ বছর ধরে আশে-পাশের তারামন্ডলীর গতি-বিধি পর্যবেক্ষণ করে গত ২০০৮ সালে প্রমাণ পেয়েছেন অতিমাত্রার ভর বিশিষ্ট একটি ব্লাকহোলের যার ভর আমাদের সূর্য থেকে ৪ মিলিয়ন গুন বেশি এবং এটি আমাদের আকাশগঙ্গার মাঝখানে অবস্থিত।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত



11692580_1497288967228355_7326663341618949159_nধুমকেতু  কী?
ধুমকেতু মূলত ধুলিময় বরফগোলক যারা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এরা বরফ, পানি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, এমনিয়া, মিথেন এবং ধুলিকণার সংমিশ্রণে তৈরী। যখন আমাদের সূর্য সৃষ্টি হয়েছিল তখন থেকেই এই পদার্থগুলো তৈরী হয়েছিল। ধুমকেতুগুলোর কেন্দ্র (নিউক্লিয়াস) বরফপূর্ণ। এদের কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকার গ্যাস এবং ধুলিকণার মেঘ দিয়ে বেষ্টিত। এগুলোকে একত্রে বলা হয় Coma । ধুমকেতুর কেন্দ্র সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হতে হতে Coma’র সৃষ্টি করে।
ধুমকেতুগুলো যখন সূর্যের কাছাকাছি ভ্রমণ করে তখন সেগুলো দু’ভাবে বিকাশিত হয়ঃ গ্যাস নিয়ে সোজা লেজ এবং ধুলিকণা নিয়ে বক্র লেজ দেখা যায়। গ্যাসের লেজগুলো Solar wind এর জন্য গঠিত হয়। Coma’র ধুলিকণা গুলো ম্যাগনেটিক ফিল্ডের জন্য নিজেদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন করেনা কিন্তু সূর্যের তাপে এগুলো বাষ্পীভূত হয়ে যায়, যার ফলে ধুমকেতু গুলোর বাঁকা ধুলিকণাময় লেজ তৈরী হয়।

উল্কা বৃষ্টি কী?
যখন কোণো ধুমকেতু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তখন এর কিছু অংশ সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে যায়। ধুমকেতুগুলো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে করতে এর অনেক ক্ষুদ্র অংশ এর থেকে ছিটকে যায়। উল্কা বৃষ্টি তখনই ঘটে যখন আমাদের পৃথিবী ঐ ধুমকেতুর আংশিক পথ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। যখন এটা ঘটে, ধুমকেতুর ধংসটুকরো (বালুকণা থেকে বেশি বড় নয়) রাতের আকাশে আলোর ঝলক তৈরী করে এগুলোকে আমরা পৃথিবী থেকে বায়ুমন্ডলের জন্য দেখতে পাই যেন এরা জ্বলছে। ধুমকেতুর ধ্বংসটুকরো যেগুলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে সেগুলোকে বলা হয়ে থাকে উল্কা। যেকোনো সময়ই উল্কা দেখা যায়। উল্কাগুলো আমাদের কাছে Shooting Star নামে বেশি পরিচিত। যাই হোক উল্কা বৃষ্টির সময় ১ঘন্টার মধ্যে একশ’রও বেশি উল্কা দেখা যায়।

ধুমকেতুর বিস্তৃতি কতটুকু?
বেশিরভাগ ধুমকেতুর নিউক্লিয়াস (ধুমকেতুর কেন্দ্র) ৬মাইল বা ১০ কি.মি. এর কম হয়ে থাকে। কোনো ধুমকেতুর বিস্তৃতি নির্ভর করে সেটি সূর্য থেকে কত দূরে অবস্থান করছে। যখন কোনো ধুমকেতু সূর্যের কাছাকাছি যায় তখন তার নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বরফ বাষ্পীভূত হয়ে শুরু করে। আর নিউক্লিয়াসের বরফ বাষ্পীভূত হওয়ার কারণে Coma’র বিস্তৃতি বেড়ে গিয়ে হয়ে যায় ৫০,০০০ মাইল বা প্রায় ৮০,০০০কি.মি. এর ফলে ধুমকেতুর লেজ গুলোর বিস্তৃতি বেড়ে গিয়ে প্রায় ৬০০,০০০ মাইল বা প্রায় ১মিলিয়ন কি.মি. হয়ে যেতে পারে।

কোনো ধুমকেতু কি সত্যিই বৃহস্পতি গ্রহে পতিত হয়েছিল?
হ্যাঁ, জুলাইয়ের ১৬-২২ তারিখে ১৯৯৪তে, Comet Shoemaker-Levy 9 এর কিছু অংশ বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে সংঘর্ষিত হয়েছিল। এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণকৃত আমাদের সোলার সিস্টেমের দু’টি বস্তুর সংঘর্ষ একমাত্র এটিই। বৃহস্পতি গ্রহের প্রবল মধ্যাকর্ষনের জন্য ধুমকেতুটি বৃহস্পতিতে পতিত হয়েছিল। Comet Shoemaker-Levy 9 ধুমকেতুটির ২০টির বেশি টুকরো বৃহস্পতি গ্রহের দক্ষিণ গোলার্ধে ঘন্টায় প্রায় ১৩০,০০০মাইল বা ২১০,০০০কি.মি বেগে পতিত হয়েছিল।

হ্যালির ধুমকেতু কখন দেখা যাবে?
হ্যালির ধুমকেতু রাতের আকাশে ২০৬২ সালে আবার দেখা যাবে। কেননা এটি সূর্যকে ৭৫-৭৬ বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে। হ্যালির ধুমকেতুর সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময়কাল বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি মেপেছিলেন ১৬৮২ সালে। এরপর ১৭৫৮, ১৮৩৫, ১৯১০ এবং ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

11665753_1610673109206122_6344222681641963688_n

গ্রহাণু কী?
গ্রহাণু হলো পাথুরে উপাদান দিয়ে গঠিত বস্তু যার গড় আয়তন প্রায় ৬০০মাইল বা প্রায় ১০০০কি.মি. যদিও এরা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তবুও এরা খুব ছোট বলে এদেরকে গ্রহ বলা ঠিক হবেনা। অধিকাংশ গ্রহাণু এত ছোট যে এদেরকে দেখা প্রায় মুশকিল হয়ে যায়। তবে বড় গ্রহাণুগুলোকে বামন গ্রহ বলা যায়।

Asteriod Belt কী?
এটি হলো মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী একটি জায়গা যেখানে আমাদের সৌর জগতের বেশিরভাগ গ্রহাণু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। Asteriod Belt সম্ভবত কয়েক মিলিয়ন গ্রহাণু বহন করে।

গ্রহাণু এবং ধুমকেতুর মধ্যে পার্থক্য কী?
গ্রহাণু এবং ধুমকেতুর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো তাদের গঠন। অর্থাৎ, তারা কী উপাদন দিয়ে গঠিত। সাধারণত গ্রহাণু তৈরী হয় পাথুরে/ শিলাময় উপাদান দিয়ে। অন্যদিকে ধুমকেতু তৈরী হয় বরফ, ধুলাবালি এবং কিছু পাথুরে পদার্থ দিয়ে। উভয় গ্রহাণু এবং ধুমকেতু আমাদের সোলার সিস্টেমের শুরুর দিকে অর্থাৎ, ৪.৫ বিলিওন বছর পূর্বেই গঠিত হয়েছিল।
গ্রহাণুগুলো সূর্যের কাছাকাছি তৈরী হয়েছিল। যা গ্রহাণুগুলোর বরফকে গলিয়ে দিতে যথেষ্ট ছিল। অন্যদিকে ধুমকেতুগুলো সূর্য থেকে বহু দূরে গঠিত হয়েছিল। এতে করে ধুমকেতুর বরফগুলো গলে যায়নি। আবার কিছু কিছু ধুমকেতু আছে যেগুলো সূর্যের কাছাকাছি চলে আসে। সূর্যের কাছাকাছি আসার ফলে এরা এদের উপাদান হারিয়ে ফেলে কেননা সূর্যের তাপে এরা উত্তপ্ত হয়ে বাস্পীভূত হয়ে যায়।

গ্রহাণুদের কি চাঁদ বা উপগ্রহ থাকতে পারে?
হ্যাঁ, গ্রহাণুগুলোর উপগ্রহ থাকতে পারে। আমাদের সৌরজগতের কিছু বড় বড় গ্রহগুলোর চাঁদ আছে। ১৯৯৩ সালে Ida গ্রহাণুর একটি ছোট উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছিল যার নাম ছিল Dactyl (বাংলাঃ ছন্দ ) । Dactyl মাত্র ১মাইল বিস্তীর্ন। যেখানে Ida’র বিস্তার প্রায় ১৯মাইল। তখন থেকেই উপগ্রহগুলো আবিষ্কৃত হতে শুরু করলো যারা গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে।
১৯৯৯ সালে ৮মাইল বিস্তীর্নবিশিষ্ট্য একটি উপগ্রহ আবিষ্কার হয়েছিল যার নাম ছিল Petit-Prince (বাংলাঃ ক্ষুদে রাজপুত্র )। Petit-Prince উপগ্রহটি ১৩৫ মাইল বিস্তীর্ণ গ্রহাণু Eugenia-কে প্রদক্ষিণ করছিল।
২০০০ সালে ৯০মাইল বিস্তীর্ন গ্রহাণু Pulcova’র উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছিল যার বিস্তৃতি ছিল ৯মাইল। তাছাড়া এখন পর্যন্ত প্রায় ২ ডজনেরও বেশি গ্রহাণুর উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।

কোনো মহাকাশযান কি এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহাণুতে নেমেছে?
হ্যাঁ, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০০১ সালে নাসা’র NEAR নামক একটি মহাকাশযান Eros (বাংলাঃ মন্তব্য। মূলতঃ গ্রীক প্রেমদেবতা )নামক একটি গ্রহাণুতে নেমেছিল। NEAR-ই সর্বপ্রথম কোনো গ্রহাণুর পৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল। NEAR নামক মহাকাশযানটি প্রায় ১ বছর ধরে (২০০০সালের ১৪ফেব্রুয়ারী থেকে) Eros নামক গ্রহাণুটিকে প্রদক্ষিণ করেছিল। NEAR গ্রহাণুটিতে অবতরণ করার আগের মুহূর্তে Eros এর কিছু ছবি নিয়েছিল এবং এর আয়তন এবং আকৃতি মেপেছিল।

সবচেয়ে বড় গ্রহাণু কোনটি?
সবচাইতে বড় গ্রহাণুর নাম হলো Ceres (গ্রীক দেবি ডিমিটারের রোমান নাম)। এটি চাঁদের আয়তনের প্রায় ১/৪ ভাগ। এটি মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মাঝামাঝি একটি এলাকার মধ্যে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এলাকাটির নাম Asteriod Belt। Ceres গোলাকৃতির একটি গ্রহাণু। ১৮০১ সালে Ceres নামক উপগ্রহটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল। এর আবিষ্কারক হলো ইতালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী Giuseppe Piazzi। এটিই হলো প্রথম আবিষ্কৃত গ্রহাণু। ১৮০১ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল। এটি একটি বামন গ্রহ বা মোটামুটি ক্ষুদে গ্রহ।

গ্রহাণু কি আমাদের পৃথিবীকে আঘাত করবে?
এটা সম্ভব যে কোনো একটি গ্রহাণু একদিন আমাদের পৃথিবীকে আঘাত করবে। কিন্তু এর সম্ভাবনা খুবই কম। বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মাঝামাঝি এলাকায় অর্থাৎ, Asteroid Belt এ অবস্থান করে যা আমাদের পৃথিবী থেকে বহু দূরে। তবে সম্ভাবনা কিন্তু থেকেই যায়। সম্ভাবনার তো আর নিশ্চয়তা নেই। তাই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সবসময়ই গ্রহাণুগুলোর উপর নক্ষত্র রাখছেন। এবং NASA’র বিজ্ঞানীরা মনে করছেন গ্রহাণু আমাদের পৃথিবীতে আঘাত হানার আগে তারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

আমরা কি গ্রহাণুগুলোতে হাঁটতে পারবো?
কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী সিনেমায় আমরা দেখতে পাই যে মানুষ গ্রহাণুগুলোতে হাঁটছে। তার মানে কি সত্যি সেখানে হাঁটা সম্ভব?
উত্তর হলো না। আমরা হাঁটতে পারবোনা। কেননা গ্রহাণুগুলোর মধ্যকর্ষণ অনেক কম। তাই অনেক ভারি বোঝা নিয়ে গেলেও সেখানে হাঁটার চেয়ে বরং আমরা বেশি ভাসবো।

কার্টেসিঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

1
A nearly 1,000-year-old statue has left China for the first time and the Meander Medical Center in the Netherlands thought they’d run it through a CT scanner, as you do. They confirmed that the statue holds the mummified remains of a man, while also finding some intriguing insights into the mummification process.

To inexpert eyes, the statue looks like it is of the Buddha, but it lacks most of the distinctive features that artists use to identify Gautama Buddha. Researchers believe the body inside is that of Buddhist master Liuquan, a practitioner of the Chinese Meditation School who lived around 1100 AD.
2
Besides the use of the scanner, the hospital had gastrointestinal specialist Dr. Raynald Vermeijden take samples of material from the thoracic and abdominal cavities. In places where organs once were, the team found paper scraps printed with yet to be deciphered ancient Chinese characters. It is unclear what role the paper played in the mummification process.

The statue was studied after being displayed at the Drents Museum as part of an exhibition of mummies revealing the similarities and differences in mummification processes from around the world. It is currently on display at the Hungarian Natural History Museum. Not only is this the first time this particular statue has left China, but it is also the only Chinese Buddhist mummy available for scientific research in the West, the Center claims.

4
There is speculation that Liuquan engaged in the practice of self-mummification, a gruesome process where monks from certain traditions prepare themselves to not decay after death through a combination of diet and consumption of poisonous herbs and embalming fluid. This has yet to be confirmed, however.
4