The Busan Aquarium contains over 35,000 species of fish, algae, reptiles, and amphibians. This state-of-the-art facility is one of Korea’s top aquariums. The aquarium covers an area of 36,000 m2 and is spread over 3 underground levels and features an outdoor park. On the first underground level is a souvenir shop and several places to eat, while the B2 and B3 levels showcase the various exhibits. The third underground level boasts an 80m main (seabed) tunnel.

The tunnel experience resembles a walk along the ocean floor with various sea creatures swimming above. This is a very popular area of the aquarium and is sure to amaze visitors. The simulator also stimulates the imagination and provides a unique feeling of life on the ocean floor.

More info: https://www.busanaquarium.com

ঘুমন্ত সুন্দুরী!

1923911_503410659839700_7812323311225925273_n
.
সিসিলি শহরে সংরক্ষিত ২ বছর বয়সের মেয়ের সংরক্ষিত মৃত দেহ সকলের কাছেই বেশ রহস্যের। কেননা খেয়াল করলে দেখা যায় যে সে প্রতিদিন সে একবার করে চোখ খোলে আর বন্ধো করে। যা যে কোন মৃত দেহের পক্ষে
করা অসম্ভব বিষয়। “রোজেলিয়া ল্যাম্বার্ড” (Rosalia Lombardo) নামের ছোট এই মেয়েটি মারা যায় ১৯২০ সালে নিউমোনিয়া রোগের কারনে। রোজেলিয়ার বাবা তার ছোট আদরের মেয়ের মৃত্যুর কারনে এতটাই শোকাহত হয়ে পরেন যে তৎকালীন সময়ের ট্যাক্সিডের্মিস্ট এবং এমবেলমিংষ্ট “এলফ্রেডো সেলাফিয়া” কে (Alfredo Salafia) অনুরোধ করেন তার মৃত মেয়ের দেহকে সংরক্ষন করার উপযোগি করে তুলতে। বর্তমানে রোজালিয়ার সংরক্ষিত
মৃতদেহ দক্ষিন ইতালির সিসিলি অঞ্চলের পালেরমো শহরে অবস্থিত “Catacombe dei Cappuccini” নামক সমাধি স্থলে সংরক্ষিত আছে। ১৯৫৫ সালে অবস্থিত Catacombe dei Cappuccini অন্যান্ন সমাধি স্থলের মত নয়। এখানে শুধু মাত্র সংরক্ষিত মৃতদেহ রাখা হয়। আর রোজেলার মৃতদেহ অন্যান্য সকল সংরক্ষিত মৃতদেহের
তুলনায় সব থেকে নিখুঁত সংরক্ষিত মৃতদেহ। শুধু যে অন্যান্য মৃতদেহের তুলনায় নয় বরং সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত যত মৃতদেহ সংরক্ষন করা হয়েছে তার মধ্যে সব থেকে নিখুঁত ভাবে সংরক্ষিত মৃতদেহ। রোজেলিয়ার সংরক্ষিত এই মৃত দেহকে ধীরে ধীরে পরিচিতি পায় “Sleeping Beauty” নামে। কেননা, রোজেলিয়ার মৃত দেহ একবার করে চোখ মেলে এবং চোখ বন্ধো করে। চোখ খোলা অবস্থ্যা তার নীল চোখ স্পষ্ট দেখা যায়। আর এ থেকেই শুরু হয় রহস্যের। যুগ যুগ ধরে মানুষ শুধু তার এই চোখ খোলা আর বন্ধো করা দেখে এসেছে কিন্তু এর রহয্য উদ্ঘাটন করতে পারে নাই। কিন্তু ঘুমন্ত এই সুন্দরির এই চোখ খোলা আর চোখ বন্ধো করার এই রহস্যের উদ্ঘাটন হয় ২০০৯ সালে। তার এই চোখ খোলা আর বন্ধো করার রহস্য উদ্ঘটন করেন নৃতত্ববিদ এবং Catacombe dei Cappuccini এর তত্ত্বাবধায়ক “Dario Piombino Mascali”। তার মতে, “It’s an optical illusion produced by the light that filters through the side windows, which during the day is subject to change” অর্থাৎ এটা শুধু মাত্র আমাদের দৃষ্টিবিভ্রম বাদে আর কিছুই না, যার মূল কারন পাশের জানালা থেকে আশা আলো যা রোজেলার দেহ সংরক্ষণকারী বক্সের কাঁচে প্রতিসারিত হবার কারনে তৈরি হয়। তিনি এটা প্রথম লক্ষ্য করেন, যখন রোজেলার মৃতদেহ রাখার বক্সটির জায়গা পরিবর্তন করা হয়। তখন তিনি রোজেলিয়ার চোখ অন্যান্য সময়ের তুলনায় সব থেকে স্পষ্ট এবং পরিষ্কার ভাবে দেখতে পারেন। তিনি বলেন, “They are not completely closed, and indeed they have never been” অর্থাৎ রোজেলার চোখ কখনই পরিপূর্ন ভাবে বন্ধো করা ছিল না। সারা বিশ্বে যত মমি আছে এগুলি সাধারনত প্রাকৃতিক ভাবেই শুকিয়ে
সংরক্ষিত হয়, কিন্তু রোজেলিয়ার মৃত দেহ সংরক্ষন করা হয় কৃত্রিম ভাবে। ২০০৯ সালে Piombino Mascali হাতে লেখা একটা পান্ডুলিপি পান যেখানে রোজেলিয়ার মৃতদেহ সংরক্ষন করায় ব্যাবহৃত উপাদান গুলির নাম লেখা আছে। পান্ডুলিপিতে লেখা উপাদান গুলি, “One part glycerin, one part formalin saturated with both zinc sulfate and chloride, and one part of an alcohol solution saturated with
salicylic acid’। ২০০৯ সালে Piombino Mascali রোজেলার এই চোখ খোলা আর বন্ধ করার রহস্য আবিস্কারের পূর্বে সকলেই বিশ্বাস করত যে, প্রতিদিন কোন এক নির্দিষ্ট সময় রোজেলিয়ার আত্মা ফিরে আসে তার
মৃতদেহতে, আর তখনই চোখ মিলে তাকাতো রোজেলিয়া। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে যুগ যুগ পরে আবিস্কার হল রোজেলিয়ার আসল রহস্য। আসল রহস্য কোন আত্মা নয় বরং আমাদের দৃষ্টিভ্রম মাত্র।

10382002_503410653173034_1036968032196829944_n

লিখেছেনঃ আল-মাহদি, রহস্যময় বিজ্ঞান জগত থেকে।

অনেক গেমস এ গেমারদের সুবিধার জন্য ম্যাপ দেয়া থাকে। কেন? যাতে করে গেমার এর বুঝতে সুবিধা হয় তার মিশনটা কমপ্লিট করার জন্য কোথায় কীভাবে এপ্রোচ করতে হবে।
আমাদের কোষের মধ্যে রয়েছে ক্রোমোসোম আর তাতে আছে DNA। কিছু ডি,এন,এ তে রয়েছে জিন। জিন হলো DNA এর একটা অংশ যা একটা জীবের গঠন কীরূপ হবে তা নির্ধারণ করে এবং পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানের দেহে নিয়ে যায়।
তো গেমারদের মতো যদি আমাদের কাছে জিন এর একটা ম্যাপ থাকত, তাহলে কেমন হত? ওয়েল, তেমন কিছুই হত না, খালি ম্যাপটা আমাদের মাথার উপ্রে দিয়ে যাইত !!!
কারণ আমরা কেবল ভার্চুয়াল জগতেরই গেমার। এইক্ষেত্রে গেমার হলেন জিনবিজ্ঞানী ও মাইক্রোবায়োলজিস্টরা। তারা একইসাথে হ্যাকারও!!! কীভাবে?

12376206_1256238594392565_8321493549897301803_n

১৯১১ সালের ঘটনা। Alfred Sturtevant নামক এক বিজ্ঞানী Drosophilla নামক এক প্রাণীর জিন ম্যাপ বের করে ফেললেন !!! সেটা আবার কী?
জিন ম্যাপ বলতে বুঝায় জিনগুলা কোন কোন ক্রোমোসোমের ভিতরের DNA এর কোথায় আছে তা
খুঁজে বের করা। অনেকটা গেমের কই কই মিশনের কাজ আছে তা জেনে যাওয়া।
তো বিজ্ঞানীরা যদি same ভাবে মানুষের জিন ম্যাপ বের করে ফেলতে পারে, তাহলে তারা জেনে যাবে তাদের “মিশন” এর লোকেশন কোথায়। তাদের মিশনগুলা কী ছিল একটু জেনে নেই।
১। এর মাধ্যমে যেসব ভাইরাস আমাদের আক্রমণ করে তাদের জিন কীরকম তা বুঝা যাবে। মানে আমাদের ক্ষতি করার জন্য তাদের যে কর্মপরিকল্পনা, তা আমরা্ জেনে যাব।
২। ক্যান্সার এর সময়ে দেহের জিন এ যে আকস্মিক পরিবর্তনগুলো (Mutation) হয়, সেগুলো জানা যাবে এবং ক্যান্সারকে শায়েস্তা করতে আরও ভাল ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
৩। আরও যেসব জিনগত রোগ যেমন: বংশগত ডায়াবেটিস, হিমোফিলিয়া এসব ব্যাপারে আরও ভাল ধারণা পাওয়া যাবে এবং এদের শায়েস্তা করার পথে এগুনো যাবে।
৪। এছাড়াও ফরেনসিক মেডিসিন, নৃতত্ত্ববিদ্যা, বিবর্তন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বড়সড় অগ্রগতি হবে।
কিন্তু এসব করতে গেলে খালি জিন কোথায় আছে এটা জানলেই হবে না! মিশনগুলো বেশ কঠিন এবং এ কাজে আমাদের ‪#‎Cheat_code‬ প্রয়োজন।
জিন তথা DNA হলো De-oxy riboNucleic Acid. এটা মানে কী বুঝায়? কয়েকটা সমীকরণ দেখি, যেটা থেকে DNA পাওয়া যাবে:
৫ কার্বন ওয়ালা ‘রাইবোজ’ নামক সুগার যেটার ২ নং কার্বনে অক্সিজেন নাই = ডিঅক্সিরাইবোজ
ডিঅক্সিরাইবোজ সুগার + নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার = নিউক্লিওসাইড
নিউক্লিওসাইড + ফসফেট গ্রুপ = নিউক্লিওটাইড
অনেকগুলা নিউক্লিওটাইড = পলিনিউক্লিওটাইড = নিউক্লিক এসিড
নিউক্লিক এসিড + নিউক্লিক এসিড = DNA
মানুষের একটা ক্রোমোসোমে ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) এরও বেশি নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার থাকে। এগুলাই ২টা নিউক্লিক এসিডকে জোড়া লাগিয়ে DNA তৈরি করে। ক্ষারগুলো হলো:
১। Adenine (A)
২। Guanine (G)
৩। Thymine (T)
৪। Cytosine (C)
এই বিলিয়ন বিলিয়ন ক্ষারগুলো কীভাবে থাকে? ATTCGATC ………. এরকম করে ৬০০ কোটির উপরে।
এটাই হলো সেই কাঙ্ক্ষিত “Cheat code” । grin emoticon যেটাকে বলে “Base sequence” ।
তো মানুষের এই Gene এর ম্যাপ বের করা আর Base sequence বের করা, এটা ১৯১১ সালে চিন্তাও করা যায় নি। পরে ১৯৫৩ সালে Watson & Crick DNA এর structure আবিষ্কার করে ১৯৬২ সালে নোবেল পেয়ে গেলেন। এরপরে Friedrich Sanger DNA এর এই Base sequence করার পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেললেন এবং ১৯৮০ সালে তার জীবনে দ্বিতীয়বারের মত নোবেল পেয়ে গেলেন। এরপরই বিজ্ঞানীরা এই map এবং cheat code বের করার স্বপ্ন দেখতে থাকেন। শুরু হয় “Human Genome Project” নামে Billion Dollar এর Project।

লিখেছেনঃ Ahmad Salman Sirajee, ফেসবুক গ্রউপঃ রহস্যময় বিজ্ঞান জগত

taking-selfies-can-be-dangerous-even-deadly-R-2ZpWlj
When you’re in an incredible destination with a view or a historical site you just have to capture in a photo, your first instinct may be to turn on your phone’s front facing camera and snap a selfie. But according to media reports, that may actually be dangerous.

So far in 2015, at least 12 people have been killed in selfie-related incidents and many more injured. Those numbers make selfies more deadly than shark attacks – eight people have died this year as a result of shark attacks.

Just this past September, a Japanese tourist died after allegedly slipping down the stairs while taking a selfie at India’s Taj Mahal monument. In a separate incident, a man was gored to death at the annual bull running festival in the Spanish town of Villaseca de la Sagra – he was trying to take a selfie with the animals when he was fatally injured. Other selfie-related deaths have been caused by distracted selfie-snappers crashing their cars, falling off cliffs, being hit by trains and even shooting themselves while posing with guns.

The selfie craze has actually gotten so dangerous that officials in Australia fenced off a 16-story-high rock that resembles a wedding cake. Apparently people wouldn’t stop taking photos on top of it, even though it poses the risk of collapsing at any time.

Australia isn’t alone – there have been many selfie-related incidents in Russia as well. In one incident, two men were killed in the Urals while taking a selfie holding a hand grenade with the pin pulled out. In another incident, a teenager died while climbing onto a railway bridge to snap a picture. The slew of selfies-gone-bad incidents led the Russia government to launch a campaign warning people about the dangers of taking selfies.

But what is it about taking selfies that can put your life at risk?

Research has found that men who post a lot of selfies score higher in traits of narcissism and psychopathy in online tests, although they are still in the healthy range. That suggests they may be more likely to focus on the personal gain in situations rather than potential danger. For example, the attention they may gain from posting a crazy selfie outweighs the consequences of their actions – they may not even consider potential consequences or dangers.

And then there’s the distraction factor. You already know how dangerous it is to look at your phone and take your eyes off the road while driving. The same rings true if you’re preoccupied looking at your phone trying to snap the perfect selfie.

When you’re looking at your phone, you’re not as in control of the complex actions like walking and running (especially from a mob of bulls) and you may not be able to notice something happening around you that may pose a risk to your well-being.

You’re faced with three different types of distractions when you’re looking at your phone: manual, visual and cognitive. You’re doing something else, you’re seeing something else and your mind is elsewhere, as opposed to focusing on your surroundings.

So what’s the moral of this selfie story? Proceed with caution. Seriously assess your surroundings before turning your phone camera on yourself. And, perhaps, put your camera away and simply take in the sights, and enjoy.

Source: http://en.paperblog.com/taking-selfies-can-be-dangerous-even-deadly-1336253/

next posts >>